কবি সুবর্ণা দাস ১৯৭৮ সনের ৩ ডিসেম্বর, গাজীপুর জেলাধীন কালীগঞ্জ উপজেলার চুপাইর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শিশির কুমার দাস রেলওয়ের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত)। মাতা পারুল রানী দাস একজন আদর্শ গৃহিনী। নিজ গ্রামে অবস্থিত চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৯৩ সনে স্টার মার্কস্ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এস.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৫ সনে ঢাকার লাল মাটিয়া মহিলা কলেজ হতে এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। কিন্তু এইচ.এস.সি পরীক্ষার ৪ (চার) মাস পূর্বে এই গুণী কবি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ফলে...
আরো পড়ুন
কবি সুবর্ণা দাস ১৯৭৮ সনের ৩ ডিসেম্বর, গাজীপুর জেলাধীন কালীগঞ্জ উপজেলার চুপাইর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শিশির কুমার দাস রেলওয়ের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত)। মাতা পারুল রানী দাস একজন আদর্শ গৃহিনী। নিজ গ্রামে অবস্থিত চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৯৩ সনে স্টার মার্কস্ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এস.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৫ সনে ঢাকার লাল মাটিয়া মহিলা কলেজ হতে এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। কিন্তু এইচ.এস.সি পরীক্ষার ৪ (চার) মাস পূর্বে এই গুণী কবি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ফলে সাংসারিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এইচ.এস.সি পাস করার পর লেখাপড়ায় কিছুটা বিরতি ঘটে। অসম্ভব ধৈর্য্যশীল কবি পুনরায় নতুন উদ্যমে লেখাপড়া শুরু করেন। তিনি ২০০০ সনে হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে বি.এস.এস এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে ২০০২ সনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০৬ সনে বি.এড কোর্স সমাপ্ত করেন। এছাড়া, ২০১৩ সনে বাংলা সাহিত্যের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন এবং ২০০০ সনে দেবালয় সংস্কৃত কলেজ হতে কাব্যতীর্থ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০০৫ সনে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। কলেজ জীবন থেকেই তিনি লেখালেখি করতেন।
তার কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় কলেজ ম্যাগাজিনে। ‘মিষ্টি ভোর’ এবং ‘তুমি আসবে বলে’ তার লেখা প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
কম দেখান