রাফি একটা পাহাড়ের মতো। শত সমস্যায় সততা আর পরিশ্রমের কারণে কেউ যেন ওকে ভাঙতে পারে না। ওর মা-বোনকে দেখলে মনে হয় ওরা বেঁচে থাকতে জানে। সংসারে অভাব-অনটন, বাবা-মায়ের জন্ম, বোনটার সমস্যা নিয়েও স্বপ্ন দেখে- ওকে ভালো কিছু করতে হবে।
রাজ যেখানে বসে আছে, সেখান থেকে পুরো আকাশটা দেখা যায়। বাসায়...
আরো পড়ুন
রাফি একটা পাহাড়ের মতো। শত সমস্যায় সততা আর পরিশ্রমের কারণে কেউ যেন ওকে ভাঙতে পারে না। ওর মা-বোনকে দেখলে মনে হয় ওরা বেঁচে থাকতে জানে। সংসারে অভাব-অনটন, বাবা-মায়ের জন্ম, বোনটার সমস্যা নিয়েও স্বপ্ন দেখে- ওকে ভালো কিছু করতে হবে।
রাজ যেখানে বসে আছে, সেখান থেকে পুরো আকাশটা দেখা যায়। বাসায় থাকলে কি আকাশটা দেখতে পেতো? ওর রুমের জানালা দিয়ে যেটুকু আকাশ দেখা যায়, তাতে নিজেকে নিজে দেখতে পায় না। রাফি ওর জীবনের দর্শন ভুল প্রমাণ করে দিয়ে গেল। জীবনে সব পাওয়ার মধ্যে আনন্দ নেই। কখনো কখনো নিজেকে উজাড় করে দিয়ে আনন্দ পাওয়া যায়।
বন্যা জানে দিন শেষে আমরা মানুষ। নিজের প্রতি নিজের ভালোবাসা আছে। তাই তো নিজেকে ত্যাগ করতে পারি না। আসলে কি, কষ্টগুলো লুকিয়ে রাখতে পারি বলেই তো আমরা মানুষ।
স্বাগতা খুব ইমোশনাল। ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কেউ কাউকে ভালোবাসে না। ভালোবাসা অফুরন্ত। একেকজনের কাছে ভালোবাসা একেকরকম। প্রত্যেকের প্রকাশভঙ্গি ভিন্ন। ভালোবাসা বুঝতে হলে তোমাকে চোখ চিনতে হবে। তৃর্য, নীলা, সামার আর আলমের কাছে জীবনটা ক্ষণস্থায়ী। পৃথিবীতে আনন্দ নিতে এসেছে ওরা।
নদী নিজের চোখের অশ্রু মুছে আবারও খোঁপায় নষ্ট ফুলগুলো গুঁজে নিল। যেটা পায়ে ফেলবে সেটা নিজেকে মাথায় নিতে হবে। নিজে যেটা ভাঙবে সেটা নিজেকেই গড়তে হবে। যে চোখে কাঁদবে সেই চোখেই আবার হাসতে হবে। যে চোখে ঘৃণা করবে, সেই চোখে আবার ভালোবাসা দেখাতে হবে। সেটা ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়। সময় বদলে দেয় কত কিছু। পিছু পড়ে যায় পুরোনো সব স্বপ্ন। রাফির জায়গায় স্থানান্তরিত হয়ে বাড়িটা কেমন নিজের হয়ে গেল। এখানে মায়ের ভালোবাসা আর বড়বোনের আদর আছে। এক জীবনে আর কী লাগে?
কম দেখান