সুমন্ত রায়, স্বাধীনতার ঊষালগ্নে ৮ অক্টোবর ১৯৭১ সালে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক। তাঁর এ পর্যন্ত ১৪টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'হৃদয়ে রক্তক্ষরণ' প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। এরপর থেকে তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে চলেছেন। তিনি কয়েকটি মূল্যবান জীবনীগ্রন্থ লিখেছেন। যার মধ্যে আছে: 'ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান জীবন ও কর্ম'। দেশের প্রধানতম ভাস্কর ও চিত্রশিল্পীকে নিয়ে লেখা এ গবেষণাধর্মী বই শিল্পীসমাজ ও উচ্চশিক্ষিত মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর ওপর লেখা...
আরো পড়ুন
সুমন্ত রায়, স্বাধীনতার ঊষালগ্নে ৮ অক্টোবর ১৯৭১ সালে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক। তাঁর এ পর্যন্ত ১৪টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'হৃদয়ে রক্তক্ষরণ' প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। এরপর থেকে তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে চলেছেন। তিনি কয়েকটি মূল্যবান জীবনীগ্রন্থ লিখেছেন। যার মধ্যে আছে: 'ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান জীবন ও কর্ম'। দেশের প্রধানতম ভাস্কর ও চিত্রশিল্পীকে নিয়ে লেখা এ গবেষণাধর্মী বই শিল্পীসমাজ ও উচ্চশিক্ষিত মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর ওপর লেখা তাঁর তথ্যসমৃদ্ধ প্রামাণ্যগ্রন্থ 'বিজ্ঞানাচার্য জগদীশচন্দ্র বসু'। বিবিসি'র শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত ২০ জন শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নিয়ে তিনি লিখেছেন মূল্যবান একটি বই 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি'। তাঁর উপন্যাসগুলোও দারুণ জনপ্রিয়।
সুমন্ত রায়ের আছে অপরিসীম ধৈর্য আর অধ্যবসায়। ভালোবাসেন শিল্প ও সাহিত্যকে। তিনি বিক্রমপুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সহ-সভাপতি।
গণিতশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর সুমন্ত রায় বর্তমানে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। সুমন্ত রায় ২০০১ সালে মুকসুদপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হিসেবে পেয়েছেন জুবিল্যান্ড পদক।
কম দেখান