শাহীন আক্তার স্বাতী, জাপান প্রবাসি কথাসাহিত্যিক। দেশের বাড়ি ফেনী, মজলিশপুর। জন্ম ঢাকাতে হলেও বাবার চাকরির সুবাদে অদম্য শৈশবের শুরুটা কেটেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অভয়ারণ্য খুলনায়।
শৈশবেই হাতেখড়ি হয় আবৃত্তি, গান, ছবি আঁকা এবং ছড়া লেখায়। দাদা ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচিত্র 'মুখ ও মুখোশের' গীতিকার। দাদার অনুপ্রেরণায় লেখালেখির সাথে যোগসুত্র স্থাপিত হয়। শিক্ষাজীবনের পুরোটাই কেটেছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, দেয়াল পত্রিকা এবং ম্যাগাজিনে লেখার মাধ্যমে। লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে অর্জিত হয়েছে বেশ কিছু পুরস্কার।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়নরত অবস্থায় বেছে নেন শিক্ষকতা পেশা। শিক্ষাজীবন শেষ...
আরো পড়ুন
শাহীন আক্তার স্বাতী, জাপান প্রবাসি কথাসাহিত্যিক। দেশের বাড়ি ফেনী, মজলিশপুর। জন্ম ঢাকাতে হলেও বাবার চাকরির সুবাদে অদম্য শৈশবের শুরুটা কেটেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অভয়ারণ্য খুলনায়।
শৈশবেই হাতেখড়ি হয় আবৃত্তি, গান, ছবি আঁকা এবং ছড়া লেখায়। দাদা ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচিত্র 'মুখ ও মুখোশের' গীতিকার। দাদার অনুপ্রেরণায় লেখালেখির সাথে যোগসুত্র স্থাপিত হয়। শিক্ষাজীবনের পুরোটাই কেটেছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, দেয়াল পত্রিকা এবং ম্যাগাজিনে লেখার মাধ্যমে। লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে অর্জিত হয়েছে বেশ কিছু পুরস্কার।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়নরত অবস্থায় বেছে নেন শিক্ষকতা পেশা। শিক্ষাজীবন শেষ করে ইংরেজির লেকচারার হিসেবে জয়েন করেন। ২০১২ সালে বৈবাহিক সূত্রে পাড়ি জমান সূর্যদয়ের দেশ জাপানে।
প্রথম উপন্যাস 'চিলেকোঠা'। এছাড়াও তার উপন্যাস 'হৃদস্পন্দন', 'আহ্ মরি বাংলা ভাষা' গল্পগ্রন্থ 'ভিনদেশি তারা', শিশুতোষ ছড়ার বই 'ভুতুর পড়াশোনা' প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ এবং কোলকাতায় প্রকাশিত হয় বেশ কিছু সংকলন। ইতোমধ্যে তাঁর রচনা ও চিত্রনাট্যে প্রচারিত হয়েছে বেশ কিছু নাটক।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী। কর্মরত আছেন জাপানিজ পাবলিক স্কুলে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টিচার হিসেবে।
কম দেখান