বইটি তৃতীয় নাম তথা ছদ্মনামে লেখা। ছদ্মনাম ‘পারভেজ বিন ফয়েজ’ হলেও লেখকের আসল নাম এ এম বদরুদ্দোজা, ডাকনাম পারভেজ। পিতার ডাক নাম ফয়েজ। জন্ম সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। গ্রামের বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও গ্রামে। পিতা মরহুম এ এফ ছয়েফউদ্দীন আহমেদ, মাতা মরহুম জাহানারা খানম চৌধুরী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার জনক। তাঁর সহধর্মিণী সৈয়দা নওশবা পারভেজ একজন গৃহিণী।
জনাব বদরুদ্দোজা সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৭ সালে সচিব হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন। তার...
আরো পড়ুন
বইটি তৃতীয় নাম তথা ছদ্মনামে লেখা। ছদ্মনাম ‘পারভেজ বিন ফয়েজ’ হলেও লেখকের আসল নাম এ এম বদরুদ্দোজা, ডাকনাম পারভেজ। পিতার ডাক নাম ফয়েজ। জন্ম সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। গ্রামের বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও গ্রামে। পিতা মরহুম এ এফ ছয়েফউদ্দীন আহমেদ, মাতা মরহুম জাহানারা খানম চৌধুরী। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার জনক। তাঁর সহধর্মিণী সৈয়দা নওশবা পারভেজ একজন গৃহিণী।
জনাব বদরুদ্দোজা সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৭ সালে সচিব হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন। তার আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য ও সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে যুগ্ম-সচিব হিসেবে প্রায় আড়াই বছর নিয়োজিত ছিলেন। মাঠ প্রশাসনেও ষোল বছর বিভিন্ন পদে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএসএমএমইউ-এর সিন্ডিকেট মেম্বার হিসেবে প্রায় আড়াই বছর নিয়োজিত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেছেন প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করে। চাকরি জীবনে বিশ্বের অর্ধ শতাধিক দেশ সফর করেছেন।
বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত আছেন।
কম দেখান