হাফিজ মাহমুদ একজন নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যিক, যাঁর লেখনীতে জীবনের বাস্তবতা, অনুভূতির সূক্ষ্মতা এবং মানবিক সম্পর্কের গভীরতা উঠে আসে।
তাঁর জন্ম ২ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার ঐতিহ্যমণ্ডিত মাটিতে, যা পরিচিত "ইলিশের বাড়ি" নামে। চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি জড়িয়ে আছে ঢাকার পরিবেশে। বর্তমানে প্রবাসে কর্মজীবন কাটালেও সাহিত্য তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় মেজ বোন পুষ্পর উৎসাহে। তাঁর অনুপ্রেরণায় স্কুল ও কলেজ জীবনে পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লেখালেখির হাতেখড়ি। ২০১৭ সালে ফেসবুকে গল্প ও কবিতা প্রকাশের...
আরো পড়ুন
হাফিজ মাহমুদ একজন নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যিক, যাঁর লেখনীতে জীবনের বাস্তবতা, অনুভূতির সূক্ষ্মতা এবং মানবিক সম্পর্কের গভীরতা উঠে আসে।
তাঁর জন্ম ২ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার ঐতিহ্যমণ্ডিত মাটিতে, যা পরিচিত "ইলিশের বাড়ি" নামে। চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি জড়িয়ে আছে ঢাকার পরিবেশে। বর্তমানে প্রবাসে কর্মজীবন কাটালেও সাহিত্য তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় মেজ বোন পুষ্পর উৎসাহে। তাঁর অনুপ্রেরণায় স্কুল ও কলেজ জীবনে পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লেখালেখির হাতেখড়ি। ২০১৭ সালে ফেসবুকে গল্প ও কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে অনলাইন পাঠকসমাজে পরিচিতি লাভকরেন। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও লেখালেখির প্রতি তাঁর ভালোবাসা কখনোই ফিকে হয়নি। সময় পেলে তিনি লেখার মাধ্যমে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন এবং পাঠকদের সঙ্গে হৃদয়ের সংযোগ স্থাপন করেন।
সমরেশ মজুমদার, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রাবেয়া সুলতানা এবং কাসেম বিন আবুবকরের সাহিত্য দক্ষতা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তাঁদের লেখনীতে যে জীবনের ছোঁয়া এবং চরিত্রের গভীরতা পাওয়া যায়, তা হাফিজ মাহমুদের সৃষ্টিতে প্রতিফলিত হয়।
হাফিজ বিশ্বাস করেন, সাহিত্যের শক্তি মানুষের মনন গঠন এবং অনুভূতির গভীরতাকে স্পর্শ করতে পারে। তাঁর লেখাগুলো সেই উদ্দেশ্যেই নিবেদিত।
কম দেখান